1
ব্রণ, ফুস্কুড়িঃ
ব্রণ মেদবহুল গ্রন্থি বা ঘাম নিঃস্বরণকারী গ্রন্থির (Sebaceous Glands) একটি দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনক রোগ যা সাধারণত মেদবহুল গ্রন্থি সমৃদ্ধ এলাকায় বেশি প্রভাবিত হয়। সেবাসিয়াস গ্রন্থি থেকে ক্ষরিত অতিরিক্ত রসই এর প্রধান কারণ, যাতে বয়ঃসন্ধির সময় প্রায় সব পুরুষ এবং নারী আক্রান্ত হতে পারে।
যদিও ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ দ্বারা ব্রণ বা ফুস্কুড়ি (Pimples) সৃষ্ট হয় না, তবুও ব্রণ বিকাশে ব্যাকটেরিয়া একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। মুখ, ঘাড়, পিঠ, বুক ও কাঁধ অধিকাংশ এলাকায় সাধারণ ব্রণ হয়।

Acne or Pimples Treatment in Homeopathy
Acne or Pimples Treatment in Homeopathy


ব্রণ প্রকারভেদঃ
ব্রণ প্রধানত দুই ধরনের রয়েছে -
১. স্ফীত ব্রণ
২. অ-প্রদাহী ব্রণ

১. স্ফীত ব্রণ - প্রদাহী ব্রণ ব্রণ, ফুস্কুড়ি (papule), অর্বুদ এবং সিস্ট অন্তর্ভুক্ত।

২. অ-প্রদাহী ব্রণ - সাদা মাথা এবং কাল আঁচিল অন্তর্ভুক্ত।

ব্রণ কারণসমূহঃ
ব্রণ হওয়ার বিভিন্ন কারণ রয়েছে। ব্রণ হওয়ার সঠিক কারণ হলো মেদ (Sebum) থেকে ক্ষরিত অতিরিক্ত রস নিঃস্বরণ অথবা মেদবহুল গ্রন্থি বা ঘাম নিঃস্বরণ গ্রন্থির (Sebaceous Gland) অতিরিক্ত কার্যকারিতা এবং চুলের মূলের (follicles or pilosebaceous ducts) ঘাম নিঃস্বরণকারী গ্রন্থির প্রতিবন্ধকতা এতে অন্তর্ভুক্ত।।

অন্যান্য প্রধান কারণের মধ্যে রয়েছে-
* বংশগত
* অঙ্গরাগ (Cosmetics)
* কিছু কিছু ওষুধ
* মানসিক চাপ (Stress)
* হরমোনাল গর্ভনিরোধক বড়ি ব্যবহারের পর হরমোন জনিত ব্যাঘাত
* ঘাম গ্রন্থি থেকে বেশি তেল নিঃস্বরণ হলে
* কোবল্ট বিকিরণের জন্য
* মৃত ত্বক কোষ আহরণ
* ক্রান্তীয় জলবায়ু (Tropical climate)
* উচ্চ গ্লাইসেমিকযুক্ত খাদ্য (High glycemic load diet)

ব্রণের জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সাঃ
হোমিওপ্যাথি একটি জনপ্রিয়  চিকিৎসা পদ্ধতি। এতে রোগীর স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য নির্ণয় করে এবং রোগীর উপসর্গ তত্ত্বের উপর ভিত্তি করে ঔষধ নির্বাচনের মাধ্যমে চিকিৎসা করে। যাতে সব চিহ্ন এবং উপসর্গ মুছে ফেলে সম্পূর্ণভাবে পূর্ব স্বাস্থ্যে ফিরে আসার একমাত্র চিকিৎসা ব্যবস্থা। হোমিওপ্যাথির উদ্দেশ্য ব্রণ চিকিত্সা নয়, তার অন্তর্নিহিত কারণ এবং ব্যক্তিগত সংবেদনশীলতা মোকাবেলার একমাত্র উপায়। রোগীকে অবশ্যই একজন যোগ্যতাসম্পন্ন হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ নেওয়া উচিত। ব্রণ চিকিত্সার জন্য সহায়ক ঔষধগুলি হল:
এন্টিম ক্রোড, আর্সেনিক অ্যালবাম, বেলাডোনা, বোরাক্স, ক্যাল্কেরিয়া কার্ব, ডালকামারা, আর্সেনিক রোব, থোজা, হাইড্রোকোটাইল, বারবারিস একুইফোলিয়াম, সোরিনাম, বভিস্টা, ক্যাল্কেরিয়া ফস, ক্যাল্কেরিয়া সালফ, ইউজেনিয়া, লিডাম পাল, সেপিয়া, স্যাঙ্গুইনেরিয়া, ম্যগনেসিয়া মিউর, কস্টিকাম ইত্যাদি।

ব্রণ ব্যবস্থাপনা

Post a Comment

Anonymous said... September 5, 2014 at 12:40 AM

যোগাযোগ করবো কি ভাবে?

 
Top