0
প্রস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধি বা বিনাইন প্রস্টেট হাইপারট্রফি এবং হোমিওপ্যাথি ( Prostate enlargement or BPH and homeopathy ):

এটি শরীরের একটি হট স্পট। এটি লাল বাদামী, এর আকার একটি আখরোটের সমান। এটা প্রতিদিন রাতে একজন পুরুষকে বেশ কয়েকবার অথবা বার বার বাথরুমে নিয়ে ঘুমের ব্যাঘাত ঘটিয়ে বিরক্তি তৈরী করতে পারে এবং মূত্রযন্ত্রের (uremic) বিষক্রিয়া দ্বারা একজন মানুষকে শেষ করে দিতে পারে। বার্ধক্যে এটি ক্যান্সারে আক্রান্ত একটি অঙ্গও হতে পারে। প্রস্টেট একটি গ্রন্থি যা যৌন জীবনে ব্যাপকভাবে অবদান রাখে। ধাতু তরল বা বীর্য (seminal fluid) জন্য একটি প্রধান জমা রাখার স্থান, যা ছাড়া গর্ভধারন সম্ভাবনা শূন্যও হতে পারে। প্রতিবার শুক্রক্ষরণের সময় শুক্রাশয় ১৫০ থেকে ২০০ মিলিয়নের উপর শুক্রানো(sperms) কোষ প্রদান করে। প্রস্টেট তরল উত্পাদন করে যা প্রোটিন, এনজাইম, চর্বি ও চিনি দ্বারা ঘঠিত। প্রস্টেট তরল শুক্রাণুকে পুষ্টি দেয় এবং এতে ভাসিয়ে রাখে, এর ক্ষারত্ব স্ত্রী জননাঙ্গের তীব্র অম্লতাকে প্রতিহত করে স্ত্রী ডিমের দিকে সাঁতার কেটে যায়।
প্রস্টেট গ্রন্থির তিনটি লোব আছে, এর চার দিকে ক্যাপসুলের মত দেখতে। মূত্রথলি থেকে মাঝখানের লোবের উপর দিয়ে  ছোট প্রস্রাব নালী দ্বারা মূত্র নিঃসরন হয়। সংক্রমণ, প্রদাহ, ক্যান্সার, হাইপারট্রফি ইত্যাদি কারণে লোবগুলো স্ফীত হয়, যাতে প্রস্রাবের প্রবাহ রোধ হতে পারে। আংশিক প্রবাহ রোধ হলে প্রস্রাব মূত্রথলিতে ফিরে এসে একটি বদ্ধ পুল তৈরী করে; পু্লে প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়, এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করে মারাত্মক ভাবে সংক্রমন তৈরী করে যাতে প্রস্রাব অনেক কমে যায় এবং পরিশেষে হাইড্রোনেফ্রোসিস ঘটায়।

Prostate enlargement or BPH and homeopathy
Prostate enlargement or BPH and homeopathy


প্রস্টেট গ্রন্থির তিনটি লোব আছে, এর চার দিকে ক্যাপসুলের মত দেখতে। মূত্রথলি থেকে মাঝখানের লোবের উপর দিয়ে  ছোট প্রস্রাব নালী দ্বারা মূত্র নিঃসরন হয়। সংক্রমণ, প্রদাহ, ক্যান্সার, হাইপারট্রফি ইত্যাদি কারণে লোবগুলো স্ফীত হয়, যাতে প্রস্রাবের প্রবাহ রোধ হতে পারে। আংশিক প্রবাহ রোধ হলে প্রস্রাব মূত্রথলিতে ফিরে এসে একটি বদ্ধ পুল তৈরী করে; পু্লে প্রায়ই ব্যাকটেরিয়া দ্বারা আক্রান্ত হয়, এরা সংখ্যাবৃদ্ধি করে মারাত্মক ভাবে সংক্রমন তৈরী করে যাতে প্রস্রাব অনেক কমে যায় এবং পরিশেষে হাইড্রোনেফ্রোসিস ঘটায়। দুর্ভাগ্যবশত, ৪০ এবং ৫৯ বছর বয়সের মধ্যে প্রায় ৬০ ভাগ পুরুষ প্রস্টেটিক হাইপারপ্লাসিয়ায় (prostatic hyperplasia) ভুগছেন। এসময় মূত্রথলি প্রাচীর ঘন, খিটখিটে এবং সংকুচিত হতে থাকে। এতে সামান্য প্রস্রাব জমা হলেই বার বার মূত্রবেগ হয় এবং অল্প পরিমাণে প্রস্রাব হয়। অবশেষে, মূত্রাশয় দুর্বল হয় যাতে নিজে নিজে প্রস্রাবের থলি খালি করার ক্ষমতা হারায়। কিছু কিছু বিষয়ের জন্য বিনাইন প্রস্টেটিক হাইপারট্রফিকে(Benign prostatic hyperplasia or hypertrophy) পুরুষের মেনোপজ বলা যেতে পারে।


বিনাইন প্রস্টেট হাইপারট্রফির তত্ত্ব(THEORIES FOR BPH):

১. হরমোন তত্ত্ব (HORMONIC THEORY) : বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুরুষ হরমোন ( Male sex hormone  or, Testosterone ) কমতে থাকে এবং স্ত্রী হরমোন( Female sex hormone or, Estrogen ) প্রাধান্য পেতে থাকে। ইস্ট্রোজেনের এই বৃদ্ধির জন্য কোষ বাড়তে থাকে। এই অনৈচ্ছিক বৃদ্ধি স্তনের ফাইব্রো এডেনোমা( fibro-adenoma of breast ) এর মত।

২. নিওপ্লাস্টিক তত্ত্ব (NEOPLASTIC THEORY): দূষহীন কোষের বৃদ্ধি (Benign neoplasm)। এটি ফাইব্রাস টিস্যু, গ্রানুলার টিস্যু এবং পেশী গঠিত যা ফাইব্রোমায়ো এডেনোমা (fibro-myo-adenoma) হিসাবে পরিচিত।

প্যাথোলজিঃ
প্রস্টেট বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে বয়স বাড়ার সঙ্গে সম্পর্কযুক্ত।  যাইহোক, এছাড়াও অন্যান্য বিষয় সম্পর্কে সারগর্ভ মতানৈক্য আছে। প্রস্টেটিক হাইপারট্রফিকে(Benign prostatic hyperplasia or hypertrophy) পুরুষের মেনোপজ বলে, কারণ এসময় (৫০ বছর পর) পুরুষ হরমোন (টেস্টোস্টেরন) কমতে থাকে যার ফলে নারী হরমোন(ইস্ট্রোজেন) তুলনামূলক ভাবে বেড়ে যায়। অপর দিকে, নারীদের ক্ষেত্রেও বিপরীত ঘটনা ঘটে, তাদের হরমোনের তুলনায় পুরুষ হরমোন বাড়তে থাকে। ফলে উভয়েরই কোষের অতিরিক্ত বৃদ্ধি পায় যথা - নারীদের স্তনের ফাইব্রো এডেনোমা এবং পুরুষের প্রস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধি।

এসময়ে টেস্টোস্টেরন উত্পাদন হ্রাস আগের উৎপাদন বৃদ্ধির সহায়ক/প্রভাবক/উত্তেজক পদার্থ হরমোন ক্ষতিপূরন করতে পারে না। বিপরীতক্রমে টেস্টোস্টেরন ৫-আলফা-ডিহাইড্রোটেস্টোস্টেরনে (5-alpha-dihydrotestosterone (DHT)) রূপান্তরিত হয়। টেস্টোস্টেরন রূপান্তরিত হয় ৫-আলফা-রিডাকটেস এনজাইমের প্রভাবে। মোটকথা, প্রস্টেট পরিবর্ধন DHT এরই কাজ। DHT প্রস্টেট কোষের নির্দিষ্ট রিসেপ্টরের সাথে বন্ধন তৈরী করে, যা এন্ড্রোজেন রিসেপ্টরে পরিবর্তিত হয়।  পরে এটি কোষের নিউক্লিয়াস মধ্যে পরিবাহিত হয়ে ডিএনএ(DNA) এর সাথে মিলিত হয় এবং পরিণামে প্রস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধির পায়।


Prostatic পরিবর্ধন দ্বিতীয় প্রভাব:

মূত্রনালীঃ
প্রস্টেট উপরে থাকা মূত্রনালীর অংশটি সম্প্রসারিত হয়। এতে মূত্রনালীর বিকৃতি হয়।

মূত্রাশয়ঃ
মূত্রনালীর বাধা অতিক্রম করতে না পারায় মূত্রথলি ফুলে বড় হয়ে যায়। মুত্র বদ্ধ এবং পাথর গঠন করতে পারে। মাঝেমধ্যে মূত্রের সাথে রক্তস্রাব হতে পারে।

মূত্রনালী ও কিডনিঃ
মূত্রনালীতে চাপ বাড়তে থাকে, মূত্রনালী ধীরে ধীরে প্রসারিত হয়, কিডনি আকারে বড় হয়(hydronephrosis), সংক্রমণ উপর দিকে উঠতে থাকে, কিডনিতে সংক্রমণ ঘটে (nephritis)।

যৌন অঙ্গঃ
প্রথম পর্যায়ে: যৌন ইচ্ছা বৃদ্ধি ঘটে।

পরের পর্যায়ে: পুরুষত্বহীনতা ঘটে।

ক্লিনিকাল বৈশিষ্ট্যঃ

* প্রস্রাব বার বার হয়-
  প্রথমে- এটি নিশাচর হয়।
  পরে- দিনে ও রাতে হয়।
  প্রস্রাবের স্ফিংটারের টানের কারণে

* আস্তে আস্তে ফোটায় ফোটায় হয়

* সংক্রমন ঘটে

* মূত্রত্যাগ শুরু জন্য রোগীর অপেক্ষা করতে হয়।

* অহেতুক মূত্রবেগ থাকে।

* প্রস্রাবের গতি অনেক কম থাকে।

* থেমে থেমে প্রস্রাব বের হয়।

* সংক্রমন থাকলে ব্যথা থাকে এবং প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

* সব সময় হালকা ব্যথা থাকতে পারে।

* তলপেটে পূর্ণতা অনুভূতি।

* প্রস্রাবে রক্ত যেতে পারে।

পরীক্ষাঃ

কিডনি এলাকা - স্পর্শকাতর
জিহ্বা - বাদামী, শুষ্ক
পায়ুপথ পরীক্ষা - পুরো মূত্রথলির অনুপস্থিতি
রক্ত - রক্তের ইউরিয়া বেড়ে যায়, ESR বৃদ্ধি পায়

প্রস্টেট স্পেসিফিক অ্যান্টিজেন (PSA): এটা প্রস্টেট গ্রন্থি কোষ দ্বারা উত্পাদিত একটি প্রোটিন। PSA পরীক্ষা দ্বারা রক্তে PSA মাত্রা মাপা হয়। PSA নিম্ন মাত্রার থকলে স্বাভাবিক; তবে, প্রস্টেট ক্যান্সারে  PSA মাত্রা বাড়তে পারে।

PSA মাত্রা নিম্নলিখিত ভাবে প্রকাশ করা যায়ঃ
* ০ থেকে ২.৫ ন্যানো গ্রাম/মিলি  সম্ভাবনা কম
* ২.৬ থেকে ১০ ন্যানো গ্রাম/মিলি সামান্য থেকে পরিমিতরূপে বেশি
* ১০ থেকে ১৯.৯ ন্যানো গ্রাম/মিলি পরিমিতরূপে বেশি
* ২০ ন্যানো গ্রাম/মিলি খুব বেশি

ইন্ট্রাভেনাস ইউরোগ্রাম (IVU):
মূত্রনালী আকৃতি এবং অবস্থান রোগ নির্ণয়ের সাহায্য করে।

এছাড়াও সিস্টোইউরেথ্রোস্কোপি (CYSTOURETHROSCOPY), আল্ট্রাসোনোগ্রাফি করা যেতে পারে।

জটিলতাঃ

* তীব্র মূত্রধারন।
* ক্রনিক মূত্রধারণ: থলি সম্পূর্ণ প্রস্রাব খালি করতে পারে না। কিছু প্রস্রাব সব সময়ে থলিতে থাকে। একে ক্রনিক (চলমান) মূত্রধারণ বলা হয়। এতে প্রস্রাবের সংক্রমণ, অসংযম বা বার বার বেগ হতে পারে।
* সংক্রমণ
* মূত্রবিষদুষ্টতা
* কিডনি বড় হওয়া (Hydronephrosis)
* রেনাল ব্যর্থতা (Renal Failure)

স্ব যত্ন (Self care):

জীবনশৈলী কিছুটা পরিবর্তন করলে প্রস্টেট উপসর্গ নিয়ন্ত্রণ এবং খারাপ দিকে অগ্রসর হওয়া থেকে প্রতিরোধ করা যায়। রোগীর নিম্নলিখিত পরামর্শ দেওয়া হয়: -

* সন্ধ্যায় পানীয় (beverages) সীমাবদ্ধ গ্রহন করতে হবে। রাতে বাথরুমে বার বার যাওয়া কমাতে সন্ধ্যা ৭ টার পরে পানীয় জল এবং অন্যান্য পানীয় বন্ধ করতে হবে। বিশেষ করে, ক্যাফেইন সমৃদ্ধ পানীয়, যা মূত্র উত্পাদন বৃদ্ধি, মূত্রথলি জ্বালা এবং উপসর্গ বাড়াতে পারে।

* প্রস্রাবের বেগ হওয়ার সাথে সাথে করতে হবে। যতবার বাথরুম যায় প্রতিটি সময় প্রস্রাব করার চেষ্টা করুন। কিছু পুরুষ জন্য, টয়লেটের উপর বসে মূত্র ত্যাগ বেশী কার্যকর। দীর্ঘ ভ্রমণের উপর হিসাব করে প্রস্রাবের তালিকা করতে হবে করুন।

* অ্যালকোহলে প্রস্রাব উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং মূত্রাশয়ে উত্তেজনা তৈরী করে।

* নাক বন্ধ হওয়া থেকে সাময়িক অব্যহতি পাওয়ার নাকের ড্রপ বেশি ব্যবহারে সতর্ক থাকুন। এতে তারা মূত্রনালির পেশীতে ব্যান্ড তৈরী হয় যাতে প্রস্রাবের প্রবাহে বাধা পড়ে, ফলে প্রস্রাব করা আরোও কঠিন হয়ে পড়ে।

* সক্রিয় রাখুন। নিষ্ক্রিয়তা থলি প্রস্রাব ধরে রাখে। ব্যায়াম প্রস্রাবের সমস্যা কমায় এবং প্রস্টেট বৃদ্ধিতে বাধা দেয়।

* উষ্ণ থাকুন। ঠান্ডা আবহাওয়া প্রস্রাব ধরে রাখার প্রবনতা তৈরী করে এবং আপনার প্রস্রাবের বেগ বাড়াতে পারেন।

হোমিওপ্যাথিক চিকিত্সাঃ

সুস্পষ্টভাবে কোনো রোগীর ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য এবং রোগের উপসর্গ চিকিত্সা করা আবশ্যক। তাই বিনাইন হাইপারট্রফি এনলারজমেন্ট রোগেকে প্রধান্য দিলে চিকিত্সক ভুল পথে চালিত পারে, তাই তাঁকে রোগীর বিশেষ, অসাধারণ, অদ্ভুত ও গঠনগত উপসর্গের দিকে গুরুত্ব দিতে হবে। বিচক্ষণভাবে নির্বাচিত ঔষধই রোগীর স্থায়ী বা দীর্ঘস্থায়ী ত্রাণ দিতে পারে। একটি সঠিক প্রেসক্রিপশন করতে পাঁচটি বিষয়ের উপর বিশেষ খেয়াল রাখা উচিত যথা- মায়াজম, রোগীর গঠন, ব্যক্তিস্বাতন্ত্র্য, সাধারণ লক্ষণ এবং বিশেষ লক্ষণ। এ রোগে সাইকোসিস প্রধানভাবে থাকে, এছাড়া মিশ্র মায়াজমের প্রভাবও পরিলক্ষিত হয়।

নিম্নে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কিছু ঔষধের নির্দেশক লক্ষণ তুলে ধরা হলো -

Sabal serrulata(সেবাল সেরু):

* রাতে প্রস্রাবের বেগ বেশি থাকে, এমনকি বার বার বাথরুমে যেতে হয়।

* মূত্রের বেগধারণে অক্ষমতা।

* প্রস্রাবের স্ফিংটারে আংশিক পক্ষাঘাত।

* মূত্রথলি সংক্রমন।

* ব্যথা যুক্ত কষ্টকর প্রস্রাব।

* মূত্রনালীর প্রস্টেটের ঝিল্লিতে ক্রিয়া করে।


Thuja occidentalis (থুজা অক্সিডেন্ট):

* সাইকোসিস দ্বারা যৌন জননাঙ্গে আক্রান্ত হয়।

* পেশী এবং জয়েন্টগুলোতে সাইকোটিক ব্যথা।

* পানি বা ভেজা আবহাওয়ায় বৃদ্ধি (Hydrogenoid) গঠনযুক্ত।

* দ্রুত দুর্বলতা এবং অবসাদগ্রস্ত হয়।

* স্থায়ী ধারনা (Fixed ideas): রোগীর মধ্যে অদ্ভুত ব্যক্তি আছে, যার আত্মা ও শরীর আলাদা, পেটে জীবিত কিছু  আছে।

* বিনাইন প্রস্টেট হাইপারট্রফি।

* গনোরিয়ার ইতিহাস থাকে।

* শিশ্নাগ্র এবং পুং - জননেন্দ্রিয় আবরক ত্বকে প্রদাহ

* গনোরিয়ার পর বাত।

* মূত্রনালী ফোলে বিভক্ত স্রোতে প্রস্রাব বের হয়।

* প্রস্রাব করার পর মূত্রনালীর মধ্যে সুড়সুড়ি অনুভব হয়।

* হঠাত এবং জরুরী প্রস্রাবের বেগ হয়, যা নিয়ন্ত্রন করা যায় না।

* প্রস্রাব করার ঘন ঘন ইচ্ছা তৈরী হয়।

* তলপেটে ব্যথা থাকে।

Petroselinum (পেট্রোসেলেনিয়াম):

* মূত্রনালীতে জ্বালা এবং সুড়সুড়ি অনুভুতি থাকে।

* হঠাত প্রস্রাবের বেগ হয়।

* হঠাত প্রস্রাব করার দুর্নিবার বাসনা তৈরী হয়।

* গভীর মূত্রনালী মধ্যে তীব্র ব্যথা, কামড়ানি এবং চুলকানি থাকে।

* দুধের মত স্রাব হয়।

* এর সাথে অর্শও থাকে।

Ferrum picrate (ফেরাম পিক্রেট):

* বার্ধক্যজনিত প্রস্টেটিক হাইপারট্রফির (prostatic hypertrophy) জন্য সবচেয়ে ভাল ঔষধ।

* অন্যান্য ওষুধ কর্ম সম্পূর্ণ করতে একটি ভাল ঔষধ (Boericke)।

* রাতে ঘন ঘন প্রস্রাব।

* সম্পূর্ণ অনুভূতি এবং মলদ্বারের মধ্যে চাপ।

* মুত্র ধারণ করে রাখে।

* মূত্রাশয়ের গলায় কনকনে ব্যথা।


Cantharis (ক্যান্থারিস):

* মূত্রত্যাগের সঙ্গে জ্বালাপোড়ায় সবচেয়ে ভাল ঔষধ।

* শুধুমাত্র কয়েক ফোটা প্রস্রাব করার সময় অত্যাধিক জ্বালা ব্যথা এবং ধ্রুব বেগ।

* সমস্ত যন্ত্রনা ক্ষতকর, জ্বালা, কাটা মত, কামড়ানি এবং ব্যথাযুক্ত।

* শ্রোণী অঞ্চল প্রদাহে তীব্র যৌন ইচ্ছা দেখা দেয়।

* মূত্রত্যাগের সময়, আগে ও পরে বেদনাদায়ক; প্রস্রাববেগ অসহনীয় ও ধ্রুবক।

* শুধু কয়েক ফোটা রক্তাক্ত প্রস্রাব ঝরার পর মূত্রনালী এবং মূত্রথলিতে ব্যথা তীব্র দহন, কাটামত ব্যথা এবং চুলকানি।

* জল বা কফি পানে লক্ষণ বাড়ে, ব্যক্তি ঘর্ষণ, মালিশ এবং উষ্ণতা দ্বারা ভাল অনুভব করে।

Staphysagria - প্রস্রাব করতে ঘন ঘন বেগ দিতে হয়; প্রস্রাবনালী বরাবর অবিরত প্রস্রাবের ঘূর্ণায়মান অনুভুতি; মূত্রত্যাগের সময় মূত্রনালীর মধ্যে জ্বলে; মূত্রাশয় উপর চাপ অনুযায়ী খালি হয়না।

Arnica Montana - প্রস্টেট বৃদ্ধি আঘাতের কারণে হলে কাজ করে; থেঁতলানো এবং পেটানো ব্যথা; হালকা ব্যথা, সুড়সুড়িসহ অবশতা।

Phosphorous – প্রস্টেট বৃদ্ধির সঙ্গে থাকতে পারে- ঘোলা বাদামী, লাল পলল মত প্রস্রাব,মূত্রর সাথে রক্ত।

Baryta carb - বয়সী মানুষের মধ্যে প্রস্টেট বৃদ্ধি।

Pareira Brava - প্রস্টেট গ্রন্থি কারনে মূত্রথলি প্রস্রাব ধরে রাখে; প্রস্রাব করার চেষ্টার সময় ব্যথা করে; মূত্রনালীর প্রদাহ; মূত্রনালী বরাবর চুলকানি, মূত্রথলি খারাপ হচ্ছে অনুভূতি।

Belladonna - প্রদাহজনক অবস্থায় প্রস্টেট বৃদ্ধিতে, বিশেষ করে উপযুক্ত ক্ষেত্রে।

Hydrangea - প্রস্টেট গ্রন্থি বৃদ্ধি; প্রস্রাব ঘন ঘন করতে হয়; মূত্রনালী মধ্যে জ্বালা; প্রস্রাব শুরু করা কঠিন; শ্লেষ্মা অনেক ভারী হয় জমে; তীক্ষ্ণ ব্যথা থাকে; পেটের লক্ষণ ও প্রস্টেট বৃদ্ধির সঙ্গে প্রচুর তৃষ্ণা থাকে।

Conium - এটা বিনাইন প্রস্টেট বৃদ্ধির জন্য চমৎকার ঔষধ; প্রস্রাব ত্যাগে অনেক অসুবিধা; প্রস্রাব বের হয় এবং আবার থেমে যায়; বিঘ্নিত প্রস্রাব; বয়সী ব্যক্তিদের মধ্যে ফোটায় ফোটায় প্রস্রাব।

Digitalis - মূত্রাশয় থেকে দপদপ কর ও কেটে ফেলামত ব্যথা হয় যখন প্রস্রাব বের হয়।


To know more in English please click on Prostate gland enlargement.

Post a Comment

 
Top