0
যৌনাঙ্গের আঁচিলঃ
যৌনাঙ্গের আঁচিল হল এর চর্মে ও শ্লেষ্মা ঝিল্লীতে মাংসল বৃদ্ধি। আঁচিল সাধারণত চর্ম বর্ণের অথবা ধুসর বর্ণের মাংসল বৃদ্ধি যা যৌনাঙ্গে ও পায়ু মুখে নারী-পুরুষ উভয়েরই হয়। এটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে রোগ যা যৌনতায় ছড়ায়। এগুলি প্রায়ই Condylomata acumemata বা Venaral warts হিসাবে পরিচিত। যৌনাঙ্গের আঁচিল লিঙ্গ, যোনিদ্বার, মূত্রনালী, যোনি, জরায়ু মুখে(Cervix) এবং মলদ্বারের চারপাশে হতে পারে। অধিকাংশ মানুষেরই কোন লক্ষণ থাকে না, যদিও এটি সাধারণ ঘটনা।

Genital warts cure by Homeopathy
Genital warts cure by Homeopathy


যৌনাঙ্গের আঁচিলের কারণঃ
এটি এইচপিভি(Human papilloma virus) ভাইরাস সংক্রমণ দ্বারা সৃষ্টি হয়। ভাইরাস দ্বারা আক্রান্ত হওয়ার ৬ সপ্তাহ থেকে ৬ মাস আঁচিল বের হতে পারে। এটি পায়ূ, মৌখিক বা যোনির চামড়া বা শ্লেষ্মা ঝিল্লীতে যৌনমিলনের মাধ্যমে ছড়ায়।

যৌনাঙ্গের আঁচিলের উপসর্গঃ
*যৌনাঙ্গের আঁচিল মাংসল রঙ্গের এবং সমতল ভাবে বৃদ্ধি পেতে পারে
*আঁচিল ফুলকপির মত প্রদর্শিত হয়
*এরা বিভিন্ন আকারের হতে পারে। সাইজ প্রকরণ হতে পারে। এরা এতো ছোট হয় যে খালি চোখে দেখা যায় না অথবা দেখতে ঠিক মটর দানার মত হতে পারে।
*মাঝে মাঝে নারীদের স্রাব বৃদ্ধি পেতে পারে
*আক্রান্ত অংশে চুলকানি থাকতে পারে
*যৌন মিলনের সময় বা পরে যোনি থেকে রক্তপাত হতে পারে
*আক্রান্ত অংশে আর্দ্রতা বৃদ্ধি পেতে পারে।

যৌনাঙ্গের আঁচিল নির্ণয়ঃ
*আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শের ইতিহাস
*কল্পোসকপি(Colposcopy) অদৃশ্য কোন ক্ষত আছে কিনা তা দেখতে সুবিধা করে।
*রুটিন পেপ স্মিয়ার করা
*আঁচিলের পুনরাবৃত্তি ও অস্বাভাবিক চেহারা জন্য বায়োপসি করতে হবে
*এইচপিভি নিশ্চিতকরণ পরীক্ষা করা

যৌনাঙ্গের আঁচিল আরোগ্যঃ
হোমিওপ্যাথি ওষুধ সবচেয়ে জনপ্রিয় রোগ নিরাময়ের একটি পদ্ধতি। এ পদ্ধতিতে ব্যক্তি স্বাতন্ত্র ও সদৃশ উপসর্গের উপর ভিত্তি করে চিকিৎসা করা হয়। এটি উপসর্গ ও জটিলতা মুছে ফেলে সম্পূর্ণ স্বাস্থ্য অবস্থায় রোগীর ফিরে যাবার একমাত্র উপায়। সদৃশবিধানের লক্ষ্য শুধু যৌনাঙ্গের আঁচিলের চিকিত্সা নয়, এই রোগের অন্তর্নিহিত কারণ ও স্বতন্ত্র প্রবণতা মোকাবেলায়ও সহায়তা করে। স্বতন্ত্র ঔষধ নির্বাচন এবং চিকিত্সার জন্য, অবশ্যই রোগীকে যোগ্যতাসম্পন্ন ও রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথিক ডাক্তারের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত। যৌনাঙ্গের আঁচিল চিকিত্সার সহায়ক ঔষধগুলো নিম্নরুপঃ
এন্টিম ক্রোড, কস্টিকাম, থুজা, স্যালিসাইলিক অ্যাসিড, ন্যাট্রাম মিউর, নাইট্রিক এসিড, ডালকামারা, ম্যাগ্নেসিয়া সালফ, স্যাবাইনা, ন্যাট্রাম কার্ব, ক্যালি কার্ব ইত্যাদি।

Post a Comment

 
Top